কতো রকমের, কতো রঙের শ্যাম্পুই না দেখা যায় বর্তমানে।সেসব শ্যাম্পু আবার দাবি করে হাজার রকমের বেনিফিট।কেউ কেউ এটাও বলে তাদের শ্যাম্পু ব্যবহারে নাকি নতুন চুলও গজাবে।তাও মাত্র কয়েকদিনেই।সত্যি কি শ্যাম্পু মাথায় নতুন চুল গজাতে সহায়তা করতে পারে?শ্যাম্পুর প্রথম ও প্রধান দায়িত্ব হচ্ছে মাথার ত্বক ও চুল ভালোভাবে পরিষ্কার করা।আর এরপরের কাজ হচ্ছে মাথার ত্বক ও চুল পরিষ্কার করতে গিয়ে তা যেন চুলকে রুক্ষ ও শুষ্ক না করে ফেলে।এছাড়াও আরেকটি কাজ হচ্ছে ক্ষতিকর উপাদানের প্রভাবে চুলের গ্রোথকে বাধাগ্রস্ত না করা।অথচ আজকাল অনেকেই আছে যারা দাবি করে বসেন তাদের শ্যাম্পু ব্যবহারে মাত্র ৭-১০ দিনে নতুন চুল গজাবে।বড়জোর একটি ভালো শ্যাম্পু চুলের গ্রোথকে স্টিমুলেট করতে পারে কিন্তু নতুন চুল গজাতে শ্যাম্পুর পাশাপাশি তেলের কোন বিকল্প নেই।তাই এসব আজগুবি কথা শুনে ফাঁদে পা দেবেন না বরং মনে রাখবেন সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে তার প্রধান কাজ পালন করা।
✔️অর্থাৎ শ্যাম্পু ক্রয়ের সময় তা চুলকে এবং মাথার ত্বককে কতোটা ভালোভাবে পরিষ্কার করে এবং তা কতোটা নিরাপদ এটা মনে রাখবেন প্রথমত।আর দ্বিতীয়ত তা চুলকে কতোটুকু সফট ও শাইনি করে।পাশাপাশি লক্ষ রাখবেন তাতে এমন কোন ক্ষতিকর উপাদান আছে কি না যা চুলের জন্য ক্ষতিকর।সাধারণত চুলের যত্নে শ্যাম্প্য হতে হবে এমন যাতে কেমিক্যালের থেকে প্রকৃতির প্রভাব বেশি পরিমাণে থাকবে।অর্থাৎ যা একইসাথে আধুনিক চাহিদা পূরণ করবে কিন্তু হবে একদমই নিরাপদ কিছু।কিন্তু বর্তমানে তা পাওয়াটা হয়ে গেছে বেশ কষ্টের তাই তো?এই কষ্টের শেষ করতেই কিন্তু AR Organic Care লঞ্চ করেছিলো-
“ORGANIC HAIR CLEANSER”
যা বিগত বেশ কয়েক মাস ধরেই মন জয় করে চলেছে সবার।
🥗এতে রয়েছে আমলকি, রিঠা, শিকাকাই, অ্যালোভেরা, কারিপাতার গুণাগুণ সহ এমন আরও বহু সংখ্যক অর্গানিক উপাদানের গুণাগুণ যা চুলকে কেবল সঠিকভাবে পরিষ্কারই করে না বরং সেই সাথে করে হেলদি ও শাইনি।এছাড়াও অতিরিক্ত রুক্ষ ও ফ্রিজি না করে করে সফট ও স্মুথ।সম্পূর্ণ অর্গানিক হবার কারণে রেগুলার ব্যবহারেই নেই কোন ধরণের সমস্যা।আপনি সম্পূর্ণ নিশ্চিত হয়েই ব্যবহার করে যেতে পারেন নিয়মিত এই অর্গানিক শ্যাম্পু।বর্তমান সময়ের বেশিরভাহ শ্যাম্পুতেই থাকে উচ্চমাত্রার ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ।কিন্তু এসব থেকে একেবারেই নিরাপদ AR Organic Care এর অর্গানিক শ্যাম্পু তথা অর্গানিক হেয়ার ক্লিঞ্জার।তাই নিজের স্বাস্থ্যের মতো চুলকেও যদি রাখতে চান সুস্থ ও নিরাপদ তবে ব্যবহার করুন কেবল অর্গানিক উপাদান।চুল ও ত্বকের যত্নে নয় কোন আপোষ, ভরসা রাখুন কেবল অর্গানিক কেয়ারে।
✅হেয়ার কন্ডিশনার ব্যবহার বিধি : প্রতিবার শ্যাম্পুর পর ভালোভাবে চুলগুলো থেকে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। এরপর চুলের মিচের দিকের অংশে সামান্য পরিমাণ কন্ডিশনার নিয়ে ভালোভাবে এপ্লাই করে নিন। সর্বোচ্চ ৫-৭ মিনিট রেখে ভালোভাবে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
বেনিফিটস : কেবল চুলকে সফটই করবে তা না বরং রাফনেস প্রতিরোধ করার ফলে চুলের আগা ফাটা করবে। ফ্রিজিনেস দূর হবে। তাই মোটামুটি চুলকে নরম, কোমল ও শাইনি অবস্থায় নিয়ে যেতে এই হেয়ার কন্ডিশনার হতে পারে পারফেক্ট সিলেকশন।


